Press "Enter" to skip to content

লক্ষ্মীপুরে দই ব্যবসা জমজমাট : যেভাবে দই উৎপাদন করবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দই শুধু মজাদার খাবারই নয়, এটি স্বাস্থ্যকরও বটে। তৃষ্ণা মিটানোর জন্য অন্যান্য পানীয় দ্রব্যের তুলনায় দই খুব উপকারি। তাই গরমে এর চাহিদা বেড়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর দই উৎপাদন করা হয়। যার ভালো চাহিদা রয়েছে স্থানীয় বাজারে। জেলার হাজিমারা, করইতলা, ওয়াফদা, শান্তিরহাট ও দাসেরহাট বাজারসহ বেশ কিছু বাজারে স্থানীয় চা দোকানিরা গরুর দুধ দিয়ে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে দই উৎপাদন করেন। পানির গ্লাসে কিংবা প্লাস্টিকের ছোট-বড় বক্সে উৎপাদন করা এসব দই স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অন্যান্য বাজারেও বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সদর উপজেলার গন্ধব্যপুর গ্রামের সৌরভ কনফেকশনারির স্বত্ত্বাধিকারী আব্দুল আজিজ বলেন, আমি নিজেই দই উৎপাদন করি। এসব দই সুস্বাদু।  তাই চাহিদাও দিনদিন বাড়ছে। প্রায় দিনই বিভিন্ন স্থান থেকে দই প্রিয় মানুষেরা এখানে এসে দই পার্টি দেয়। অনেকে আবার বাড়ির জন্যও কিনে নেন।

জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতি ১০ গরুর দুধের সাথে ৪ কেজি চিনি, দেড় চা চামচ টক দই মিশ্রণ করতে হয়।
দই উৎপাদনের প্রক্রিয়া :
১. গরুর দুধ ভালোভাবে গরম করতে হবে।
২. ছেঁকে নিতে হবে।
৩. চিনি ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
৪. কুসুম গরম অবস্থায় টক দই মিশিয়ে নিন।
৫. তারপর শুষ্ক স্থানে প্রয়োজন মতো পাত্র বসিয়ে দুধ ঢেলে নিন।

৬. কাগজ বা খড়কুটা দিয়ে ঢেকে দিন।
৭. সবশেষে চাদর বা অন্যকিছু দিয়ে সবগুলো পাত্র মুড়িয়ে রাখুন।

৪ থেকে ৬ ঘন্টা পর হয়ে যাবে সুস্বাদু দই। তবে আবহাওয়া ভেদে ভিন্নরকমও হতে পারে।

দই প্রিয় মানুষ শাহাদাত হোসেন সবুজ, শাহাদাত হোসেন রুবেল, ইয়াছিন হোসেন আরিফ, জাবেদ হোসেন বলেন, বাজারের দই গুলোর তুলনায় এখানে উৎপাদনকৃত দই খেতে খুবই সুস্বাদু । গত সোমবারও আমরা বন্ধুরা মিলে দই পার্টি দিছিলাম।

এ পদ্ধতিতে দই উৎপাদন করে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাদের আয়ের উৎস বাড়াতে পারেন।

চিকিৎসকদের মতে, খাদ্যতালিকায় দুগ্ধজাত এ উপাদানটি নিয়মিত রাখলে বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত সুবিধা পাওয়া যায়।

Mission News Theme by Compete Themes.